প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে ইন্টার-সেমিস্টার দাবা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে ইন্টার-সেমিস্টার দাবা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সাহিত্য ও সহশিক্ষা সংগঠন ‘ডেল চেস ক্লাব’ এর উদ্যোগে আজ ২৯ অক্টোবর জিইসি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী ‘ফার্স্ট ইন্টার-সেমিস্টার চেস টুর্নামেন্ট ২০২৬'। উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে বিভিন্ন সেমিস্টারের ২৮ জন প্রতিযোগী দাবাড়ু অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, কেবল প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ্যবইয়ের অধ্যয়নই একজন শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ মানসিক ও মেধা বিকাশের জন্য যথেষ্ট নয়। পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী, সুশৃঙ্খল ও গতিশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। তিনি ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ভূয়সী প্রশংসা করে উল্লেখ করেন যে, বিভাগটি নিয়মিত একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি সৃষ্টিশীল নানা আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সার্বিক মেধার বিকাশে এক অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ ধরনের মেধাভিত্তিক উদ্যোগগুলোকে সবসময়ই সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির।বিশেষ বক্তা হিসেবে কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহীত উল আলম বলেন, দাবা কোনো সাধারণ খেলা নয়, এটি গভীর মননশীলতা ও প্রজ্ঞার এক অনন্য বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই। প্রতিটি চাল দেওয়ার পূর্বে দূরদর্শিতা, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা এবং ধৈর্য পরীক্ষার মাধ্যমে দাবা শিক্ষার্থীদের জটিল সংকট সমাধানের মানসিক প্রস্তুতি তৈরি করে দেয়। জীবন ও শিক্ষাক্ষেত্রের নানা চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে দাবার মতো মননশীল চর্চা শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তিকে বহুগুণে শাণিত করে তোলে।
ক্লাবের সার্বিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন ডেল চেস ক্লাবের মডারেটর ও সহযোগী অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশে এ ধরনের আয়োজনে উদারভাবে সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ জসীম উদ্দীন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুর রহিম, সহযোগী অধ্যাপক রুমানা চৌধুরী, প্রভাষক মোহাম্মদ মেহেদী রহমান, ক্লাবের ডিরেক্টর আফিফ আহমেদ চৌধুরীসহ ক্লাবের অন্যান্য ডিরেক্টরবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক উৎসাহী শিক্ষার্থী।
সপ্তম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী অর্জিতা সেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় টুর্নামেন্টের বিভিন্ন পর্ব শেষে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী তন্ময় বড়ুয়া। প্রথম রানার-আপ হয়েছেন পঞ্চম সেমিস্টারের সুমেত চাকমা এবং দ্বিতীয় রানার-আপ হয়েছেন দ্বিতীয় সেমিস্টারের মোহাম্মদ জুয়েল। এছাড়া টুর্নামেন্টে সেরা নারী দাবাড়ুর বিশেষ পুরস্কার অর্জন করেন দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী বিমুগ্ধা বিশ্বাস।
প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি মাননীয় উপাচার্য বিজয়ী দাবাড়ুদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন।
Related News
মরহুম সৈয়দ মোহাম্মদ মিনহাজ হোসেইনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে পিইউডিএসের পাবলিক স্পিকিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে ইন্টার-সেমিস্টার দাবা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
Thursday, 29 October, 2026
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে ইন্টার-সেমিস্টার দাবা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সাহিত্য ও সহশিক্ষা সংগঠন ‘ডেল চেস ক্লাব’ এর উদ্যোগে আজ ২৯ অক্টোবর জিইসি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী ‘ফার্স্ট ইন্টার-সেমিস্টার চেস টুর্নামেন্ট ২০২৬'। উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে বিভিন্ন সেমিস্টারের ২৮ জন প্রতিযোগী দাবাড়ু অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, কেবল প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ্যবইয়ের অধ্যয়নই একজন শিক্ষার্থীর পূর্ণাঙ্গ মানসিক ও মেধা বিকাশের জন্য যথেষ্ট নয়। পড়াশোনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের আত্মবিশ্বাসী, সুশৃঙ্খল ও গতিশীল মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে। তিনি ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ভূয়সী প্রশংসা করে উল্লেখ করেন যে, বিভাগটি নিয়মিত একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি সৃষ্টিশীল নানা আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সার্বিক মেধার বিকাশে এক অনন্য ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এ ধরনের মেধাভিত্তিক উদ্যোগগুলোকে সবসময়ই সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির।বিশেষ বক্তা হিসেবে কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহীত উল আলম বলেন, দাবা কোনো সাধারণ খেলা নয়, এটি গভীর মননশীলতা ও প্রজ্ঞার এক অনন্য বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই। প্রতিটি চাল দেওয়ার পূর্বে দূরদর্শিতা, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা এবং ধৈর্য পরীক্ষার মাধ্যমে দাবা শিক্ষার্থীদের জটিল সংকট সমাধানের মানসিক প্রস্তুতি তৈরি করে দেয়। জীবন ও শিক্ষাক্ষেত্রের নানা চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে দাবার মতো মননশীল চর্চা শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তিকে বহুগুণে শাণিত করে তোলে।
ক্লাবের সার্বিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন ডেল চেস ক্লাবের মডারেটর ও সহযোগী অধ্যাপক মো. রফিকুল ইসলাম। তিনি শিক্ষার্থীদের মেধার বিকাশে এ ধরনের আয়োজনে উদারভাবে সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ জসীম উদ্দীন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুর রহিম, সহযোগী অধ্যাপক রুমানা চৌধুরী, প্রভাষক মোহাম্মদ মেহেদী রহমান, ক্লাবের ডিরেক্টর আফিফ আহমেদ চৌধুরীসহ ক্লাবের অন্যান্য ডিরেক্টরবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক উৎসাহী শিক্ষার্থী।
সপ্তম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী অর্জিতা সেন চৌধুরীর সঞ্চালনায় টুর্নামেন্টের বিভিন্ন পর্ব শেষে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হয়। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন ষষ্ঠ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী তন্ময় বড়ুয়া। প্রথম রানার-আপ হয়েছেন পঞ্চম সেমিস্টারের সুমেত চাকমা এবং দ্বিতীয় রানার-আপ হয়েছেন দ্বিতীয় সেমিস্টারের মোহাম্মদ জুয়েল। এছাড়া টুর্নামেন্টে সেরা নারী দাবাড়ুর বিশেষ পুরস্কার অর্জন করেন দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী বিমুগ্ধা বিশ্বাস।
প্রতিযোগিতা শেষে প্রধান অতিথি মাননীয় উপাচার্য বিজয়ী দাবাড়ুদের হাতে ট্রফি ও পুরস্কার তুলে দেন।