প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ও Asperia Health Care Ltd.-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ও Asperia Health Care Ltd.-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬, বেলা ৩ টায় প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় ও Asperia Health Care Ltd.-এর মধ্যে গবেষণা, স্বাস্থ্যসেবা ও কমিউনিটি হেলথ কার্যক্রমে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হলো।
এই MoU-এর আওতায় যৌথ গবেষণা, ল্যাবরেটরি ও ডায়াগনস্টিক সুবিধা, ইন্টার্নশিপ, ফেলোশিপ ও থিসিস প্লেসমেন্ট, স্বাস্থ্য-তথ্য বিনিময় এবং কমিউনিটি হেলথ ক্যাম্পসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
অনুষ্ঠানে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এম. এম. নছরুল কদির, মাননীয় ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহেদ হোসাইন সিকদার, রেজিস্ট্রার জনাব মো. ইফতেখার মনির, ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাদাত জামান খান, পাবলিক হেলথ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. জাহেদুল ইসলাম, প্রভাষক ডা. সৈয়দা মুনিরা দিলশাদ, ডা. জেসমিন মুসা এবং জনাব ফয়সাল আহমেদ তালুকদার।
Asperia Health Care Ltd.-এর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান জনাব গোলাম বাকী মাসুদ, পরিচালক জনাব জয়নাব রুমা, পরিচালক (ফিন্যান্স) জনাব মো. জাহেদুল আলম এবং হেড অব ল্যাব অ্যাফেয়ার্স জনাব ইসমাইল আল রশিদ।
দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের পাবলিক হেলথ বিভাগের প্রভাষক ডা. সৈয়দা মুনিরা দিলশাদ।
এই সমঝোতা স্মারকের আওতায় প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা Asperia Health Care Ltd.-এর সকল ডায়াগনস্টিক সেবায় ৪০ শতাংশ হারে ছাড় পাবেন।
এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টার্নশিপ, ফেলোশিপ ও থিসিস প্লেসমেন্টের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা তাদের একাডেমিক জ্ঞানকে বাস্তব কর্মক্ষেত্রের অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করতে সহায়ক হবে।
গবেষণা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ল্যাবরেটরিভিত্তিক গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষায় ৫০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড়ের সুযোগ পাবেন।
এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শিক্ষা ও গবেষণার সঙ্গে বাস্তব স্বাস্থ্যসেবার সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কমিউনিটি হেলথ ক্যাম্প, যৌথ গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও জনস্বাস্থ্যভিত্তিক বিভিন্ন কার্যক্রমে উভয় প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।