প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির সমাজতত্ত্ব বিভাগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন ‘প্লাস্টিক দিন, বীজ নিন’ শীর্ষক ক্যাম্পেইন ।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির সমাজতত্ত্ব বিভাগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন ‘প্লাস্টিক দিন, বীজ নিন’ শীর্ষক ক্যাম্পেইন ।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির জিইসি মোড়স্থ ক্যাম্পাসে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির সমাজতত্ত্ব ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের স্যোশিওলজি ক্লাবের উদ্যোগে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালন করা হয়েছে। ০৬ জুন ২০২৬, শনিবার, সকাল ১০টায় এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটির মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার, রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির ও প্রক্টর জনাব মো. সোলাইমান চৌধুরী। সমাজতত্ত্ব ও টেকসই উন্নয়ন বিভাগের প্রভাষক মুহাম্মদ তানজিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সাদিকা সুলতানা চৌধুরী, প্রভাষক নুসরাত জাহান তানী, সায়ীদা জামান ও সিফাতুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির বলেন, মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করেই মানুষের ব্যবহারের জন্য প্লাস্টিকের উৎপাদন শুরু হয়েছিল। কিন্তু পরে দেখা গেল, প্লাস্টিক মানুষ ও পরিবেশের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় যোগদানের আগে আমি একটি ব্রিটিশ কোম্পানিতে চাকরি করতাম। এই কোম্পানি বিভিন্ন ধরনের প্রচুর প্লাস্টিক উৎপাদন করতো। প্লাস্টিকের ভয়াবহ ক্ষতিকর দিক তারা লক্ষ করার পর প্লাস্টিক উৎপাদন থেকে সরে আসে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানোর জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগও আজকের অনুষ্ঠান আয়োজন করে প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো এবং বৃক্ষরোপণের জন্য সচেতনতা সৃষ্টি করছে। এটা অত্যন্ত ভালো দিক। তিনি পরিবেশের সঙ্গে টেকসই উন্নয়নের সম্পর্কও তুলে ধরেন।
মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ আজ শুধু একটি সামাজিক দায়বদ্ধতা নয়, বরং মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার অন্যতম শর্ত। আমি আশা করি, সবাই প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণে সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠানে 'প্লাস্টিক দিন, বীজ নিন’ শীর্ষক ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক এস. এম. নছরুল কদির। এরপর উপাচার্যসহ অতিথিবৃন্দ ক্যাম্পাসে চারা রোপণ করেন। তাঁদেরকে এবং বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকাদেরকে চারাও উপহার দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে ক্লাবের সদস্যবৃন্দ ও বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।