প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির হাজারী লেইনস্থ ভবনে বাণী অর্চনা পরিষদের উদ্যোগে বিদ্যা ও সুরের দেবী সরস্বতীর আরাধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার, এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম, রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির, প্রক্টর জনাব মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী ও বাণী অর্চনা পরিষদের আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক অনুপ কুমার বিশ্বাস। প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম তাঁর বক্তব্যে বলেন, সরস্বতী দেবী জ্ঞান, সৃজনশীলতা ও মানবিক বোধের প্রতীক। শিক্ষা শুধু পুঁথিগত জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা নৈতিকতা ও মূল্যবোধ গঠনের মাধ্যম। তরুণ প্রজন্মকে জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি সুর, সংস্কৃতি ও সৃষ্টিশীলতায় মনোনিবেশ করতে হবে। বিদ্যা ও সংস্কৃতির সমন্বয়ই একটি আলোকিত সমাজ গঠনের মূল শক্তি। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক ও সৃজনশীল চেতনাকে আরও দৃঢ় করে।
রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির বলেন, বিদ্যা ও সুরের দেবী সরস্বতীর আরাধনা কেবল একটি ধর্মীয় রীতি নয়, এটি জ্ঞান ও সত্য অনুসন্ধানের এক শাশ্বত উৎসব। আজকের এই দিনে আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতার উন্মেষ ঘটুক—এটাই আমাদের মূল প্রত্যাশা। প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি সবসময়ই মুক্তচিন্তা চর্চা ও শিক্ষার আলো বিস্তারে বদ্ধপরিকর। আসুন, একটি মেধাভিত্তিক ও আলোকিত সমাজ গড়ার শপথ গ্রহণ করি।
প্রক্টর জনাব মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী বলেন, বাণী অর্চনা উদযাপন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির একটি ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সুশৃংখল অংশগ্রহণে এ আয়োজনটি ইতোমধ্যে একটি ভিন্নমাত্রা পেয়েছে। এইবারও যথাযথ ভাব গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সকলের অংশগ্রহণে এ আয়োজনটি পূর্ণতা পাবে বলে আমার বিশ্বাস।
বাণী অর্চনা পরিষদের আহ্বায়ক ও আইন বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক অনুপ কুমার বিশ্বাস বলেন, বিদ্যা দেবীর এই আরাধনা আমাদের ক্যাম্পাসে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের আত্মশুদ্ধির পথ দেখায়। হাজারী লেইনের এই প্রাঙ্গণে জ্ঞানের আলোর বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে সত্য ও সুন্দরের সাধনায় ব্রতী হওয়ার জন্য আমরা সকল শিক্ষার্থীকে আহ্বান জানাই। আইন ও ন্যায়ের পথে অবিচল থেকে আগামী দিনের যোগ্য নাগরিক হিসেবে তারা নিজেদের গড়ে তুলবে—এটাই আমাদের প্রার্থনা।
আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সঞ্জয় বিশ্বাস ও অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. অর্পিতা দত্তের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিল্লোল সাহা, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুজন কান্তি বিশ্বাস, অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বিদ্যুৎ কান্তি নাথ ও সহকারী অধ্যাপক সুদীপ দে, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুমিত চৌধুরী ও মিল্টন দে, সহকারী প্রক্টর ড. তাসনিম উদ্দিন চৌধুরী ও রাহুল চৌধুরী। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। সন্ধ্যায় আরতি ও ধুনুচি নৃত্যের মধ্যে দিয়ে জ্ঞানদেবীর আরাধনা শেষ হয়।
Related News
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের স্প্রিং ২০২৬ সেশনের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত ।
প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির হাজারী লেইনস্থ ভবনে বাণী অর্চনা পরিষদের উদ্যোগে বিদ্যা ও সুরের দেবী সরস্বতীর আরাধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার, এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম, রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির, প্রক্টর জনাব মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী ও বাণী অর্চনা পরিষদের আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক অনুপ কুমার বিশ্বাস। প্রফেসর ড. মোহীত উল আলম তাঁর বক্তব্যে বলেন, সরস্বতী দেবী জ্ঞান, সৃজনশীলতা ও মানবিক বোধের প্রতীক। শিক্ষা শুধু পুঁথিগত জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা নৈতিকতা ও মূল্যবোধ গঠনের মাধ্যম। তরুণ প্রজন্মকে জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি সুর, সংস্কৃতি ও সৃষ্টিশীলতায় মনোনিবেশ করতে হবে। বিদ্যা ও সংস্কৃতির সমন্বয়ই একটি আলোকিত সমাজ গঠনের মূল শক্তি। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক ও সৃজনশীল চেতনাকে আরও দৃঢ় করে।
রেজিস্ট্রার জনাব মোহাম্মদ ইফতেখার মনির বলেন, বিদ্যা ও সুরের দেবী সরস্বতীর আরাধনা কেবল একটি ধর্মীয় রীতি নয়, এটি জ্ঞান ও সত্য অনুসন্ধানের এক শাশ্বত উৎসব। আজকের এই দিনে আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ, সৃজনশীলতার উন্মেষ ঘটুক—এটাই আমাদের মূল প্রত্যাশা। প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি সবসময়ই মুক্তচিন্তা চর্চা ও শিক্ষার আলো বিস্তারে বদ্ধপরিকর। আসুন, একটি মেধাভিত্তিক ও আলোকিত সমাজ গড়ার শপথ গ্রহণ করি।
প্রক্টর জনাব মোহাম্মদ সোলাইমান চৌধুরী বলেন, বাণী অর্চনা উদযাপন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির একটি ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের সুশৃংখল অংশগ্রহণে এ আয়োজনটি ইতোমধ্যে একটি ভিন্নমাত্রা পেয়েছে। এইবারও যথাযথ ভাব গাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সকলের অংশগ্রহণে এ আয়োজনটি পূর্ণতা পাবে বলে আমার বিশ্বাস।
বাণী অর্চনা পরিষদের আহ্বায়ক ও আইন বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক অনুপ কুমার বিশ্বাস বলেন, বিদ্যা দেবীর এই আরাধনা আমাদের ক্যাম্পাসে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের আত্মশুদ্ধির পথ দেখায়। হাজারী লেইনের এই প্রাঙ্গণে জ্ঞানের আলোর বিচ্ছুরণ ঘটিয়ে সত্য ও সুন্দরের সাধনায় ব্রতী হওয়ার জন্য আমরা সকল শিক্ষার্থীকে আহ্বান জানাই। আইন ও ন্যায়ের পথে অবিচল থেকে আগামী দিনের যোগ্য নাগরিক হিসেবে তারা নিজেদের গড়ে তুলবে—এটাই আমাদের প্রার্থনা।
আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সঞ্জয় বিশ্বাস ও অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. অর্পিতা দত্তের সঞ্চালনায় এ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিল্লোল সাহা, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুজন কান্তি বিশ্বাস, অর্থনীতি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বিদ্যুৎ কান্তি নাথ ও সহকারী অধ্যাপক সুদীপ দে, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সুমিত চৌধুরী ও মিল্টন দে, সহকারী প্রক্টর ড. তাসনিম উদ্দিন চৌধুরী ও রাহুল চৌধুরী। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। সন্ধ্যায় আরতি ও ধুনুচি নৃত্যের মধ্যে দিয়ে জ্ঞানদেবীর আরাধনা শেষ হয়।